Posts

Showing posts with the label tapaner lekha

উপসংহার (কবিতা) by তপন বসু

Image
উপসংহার (কবিতা) রেললাইনে মাথা রাখা যায় নিশ্চিন্তে - মাথা কাটা যাবার ভয় নেই লজ্জায়-বেদনায়                                     রেললাইন আজ মুখ ঢেকেছে ঘাসে।  ভ্রমণ নেই দর্শন নেই - গতিতে খুশির বর্ষণ নেই                                     জীবন স্থবির অতি মহামারীর ত্রাসে।। কারও পরিবারে মৃত্যু-শূন্যতা                                          কোন দম্পতির শিয়রে নতুন প্রাণ - কোন হাসপাতালে অবহেলায় শায়িত রুগী                                          ভাষাহীন চোখে অপেক্ষার বলিদান।। চাকরির চিঠি হাতে পেয়েছিল অর্জুন ;                         ...

"বৃষ্টি ভিতর ঘরে" | কবিতা by তপন বসু | Bristi Bhitor Ghore (Poem)

Image
কবিতা "বৃষ্টি ভিতর ঘরে" বৃষ্টি পড়ছে মনের ঘরে          ভিজছে ভালবাসা, বাইরে শরীর ক্ষত-বিক্ষত         দোদুল্যমান আশা। অনেক স্বপ্ন শরীরে পুড়েছে          রোদ-আকাশের গায়ে, তবুও শরীর বেঁচে আছে          মনের আঙ্গিনায়। সংসারগামী দ্বিপদ কাঠামো  ঠিক-ভুলের দুই প্রান্তে, অনেক ইচ্ছে না-ফোটা ফুলে    ঝরেছে একলা বসন্তে। মন ও শরীর যখনই পাঠিয়েছে  বার্তা তাদের সংসারে  মধ্যমজান বিধিনিষেধ   তা' উড়িয়ে দিয়েছে নির্বিকারে।  আজ বৃষ্টি অন্যরকম          মন ভেজাতে চায়। শরীর-চাদর সজীব হয়েছে  প্রকৃতির, স্পর্শ উষ্ণতায়।  অঝোর ধারা আবার করে             সবুজ করেছে মন - পিলসুজে তেল কম পড়লেও  দেখি, আলোর আয়োজন।  নতুন সূর্য,ভোরের আলো  আবার করে লাগছে ভালো  বৃষ্টি-স্নানে স্নিগ্ধ সকাল  নিভিয়ে দিয়েছে অপ্রত্যাশিত কালো।...

ভুল । কবিতা by তপন বসু

Image
  ভুল । কবিতা  স্মৃতির পথে বাউল সাজবার জানি না কি প্রয়োজন ? তবু, স্মৃতিকে ঘিরেই কতো রোমাঞ্চ, কতো না শিহরণ।     এই তো সেদিনের কথা - বাবার মুখে নেবুলাইজারের নল, বুকে নকল হৃদযন্ত্র  মৃত্যুশয্যায় ইঙ্গিতে বোঝালেন, 'শান্তি যদি পেতে চাস, কইবি কম শুনবি বেশি  দেখবি, সেটাই সুখে বাঁচার আসল মন্ত্র'।  কথাগুলোর অনুরণন ছায়া হয়ে আনাচে কানাচে, মৃত্যুর পদধ্বনি স্পষ্ট হলো, চলে গেলেন তিনি মেয়াদশেষে - আমি আজও আছি, বেঁচে ........ সভ্যের হাতে অসভ্যতার কালো দেশে।  আমার আগামী পৃথিবী স্বচ্ছ, হলেও বা ভারি সুন্দর পুরোনো আনন্দে, নতুন অভিমানে আজও বুকে জমে কান্না  অমৃতের পেয়ালায় বিষের চুমুক - এই অভ্যেসে, মন যে আর এগোতে চায় না।। তপন বসু / ১লা বৈশাখ ১৯২৮ (15th April 2021) / কলকাতা  পাদটীকা :- নির্বাচনের বাজারে স্বার্থলোভীর প্রচারে স্বার্থত্যাগীরা নিষ্পেষিত। সমাজব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার রাজদণ্ডের হাতে। তবুও আমার স্থির বিশ্বাস, একদিন সত্যের জয় হবে। মানুষের মনের রঙ আর পৃথিবীর রঙ ...

কবিতা । রোজের সকাল । তপন বসু

Image
কবিতা । রোজের সকাল । তপন বসু সকালকে মনে রেখে রাত যে ফুরোয় - সকালকে ভালবেসে সূর্য-উদয় ; সকালের আহ্বানে দিনে পথ চলা - কাঁপা-হাতে চায়ের কাপে                        সাবধানী ঠোঁট ফেলা।। সকালগুলো যে রোজ সকালেই আসে তবুও সে দিনেরাতে অশরীরে ভাসে ; সারাদিনে সাজে-কাজে ক্লান্তি ঘুমঘোর - 'মন' খোঁজে আশ্রয়,                     'জীবন', কালকের ভোর।। মাটিতে প্রথম স্নান, সুরের প্রভাব  পথ-চলা সুরেলা, গানের স্বভাব ; ক'দিনের এই পথিক-ভ্রমণ                        গানের কাছে আসা - 'জীবন' তুমি থাকো, না থাকো - তোমায় ছুঁয়ে থাকবে  আমার গান আর সুরেলা ভালবাসা।। - তপন বসু | 5/7/2019 ©tapanbasu. all rights reserved. photo courtesy : thelouisaugustjonasfoundation / cgtn

কাঞ্চনজঙ্ঘার ডায়েরি - পর্ব ৫ (১০ই জানুয়ারী ২০২১) | Kanchanjanghar Diary Ep#5

Image
কাঞ্চনজঙ্ঘার ডায়েরি-পর্ব ৫ (১০ই জানুয়ারী ২০২১ - রাত ১০টা) 'এবার আমার ঘরে ফেরার গান পর্যটনের সুখের ছবি - রেখায় আঁকুক বাউল কবি -  বেড়ানোর সুখ সাঙ্গ করে,  স্মৃতির পাতা বন্ধ করে ; নিজের বাসায়  ভালোবাসায়,  আপন আনন্দ-স্নান'। এবারে আর ফ্লাইট লেট্ করে নি।  তল্পিতল্পা নিয়ে  বাড়ি ঢুকলাম রাত ৮টা নাগাদ। বেড়ানোর আনন্দ আর ঘরে ফেরার আনন্দে একাকার হয়ে বেড়ানোর গল্প শুনতে অতি আগ্রহী মা'য়ের সঙ্গে বাহির-মহলের  গল্পে মশগুল হলাম। সেই গল্প করতে করতেই লিখতে বসলাম আজকের ডায়েরি - আমাদের 'কাঞ্চনজঙ্ঘার ডায়েরি'র ৫ম ও অন্তিম পর্ব। জানুয়ারীর ৫-এ আমরা পৌঁছেছিলাম দার্জিলিং। সেখানে ঠিকই ছিল যদি weather ঠিক থাকে, তাহলে সকালের ব্রেকফাস্ট সেরেই ম্যালের উদ্দেশে রওনা দেব। কপাল এতো ভাল, যে তিনদিন দার্জিলিং-এ ছিলাম, বেশির ভাগ সময়টাই আকাশ ছিল পরিষ্কার। কাঞ্চনজঙ্ঘার গল্প ও ছবি তো আগেই শেয়ার করেছি। তাই আমরা পায়ে হেঁটে (যদিও ম্যাল-এ হন্টন ছাড়া গতি নেই) হোটেল থেকে ম্যালের পথ পাড়ি দিয়েছি দুটো দিনই। হাঁটাপথের বাঁহাতে ধাপে ধাপে রাস্তা নেমে তৈরী ক...

সবুজদ্বীপের ডায়েরি (আন্দামান পর্ব-৪) | Sobujdweeper Diary Ep#4

Image
  "সবুজদ্বীপের ডায়েরি"  (আন্দামান পর্ব-৪) সবুজদ্বীপের ডায়েরি । 26th February 2020  । রাত ১১ টা ........ আজ সারাটাদিন বলতে গেলে একরকম ঘোরে কেটেছে। সেই সাতসকালে তো বেরিয়ে পড়েছি। গন্তব্য ছিল "Jolly Buoy" দ্বীপ। আমরা অনেকেই জানি এই দ্বীপের চারিপাশ ঘিরে রয়েছে প্রবালের অফুরন্ত ভান্ডার। অস্ট্রেলিয়ার পরেই দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ Coral Reef-এর সম্পদ রয়েছে এখানে। যাবার জন্যে সমুদ্রপথে লঞ্চ ছাড়া গতি নেই। এই লঞ্চ ছাড়ে অন্য আরেকটি জেটি Wandoor থেকে। সময় লাগে ঘন্টাখানেক মতো। পোর্টব্লেয়ার থেকে বাসে  Wandoor যেতে দূরত্ব ত্রিশ কিলোমিটার, সময় লাগল আধঘন্টা। এই  Wandoor ও Jolly Buoy দ্বীপ মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল পার্কের Marine Sanctuary'র তত্ত্বাবধানে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। খুব সুন্দর নামের  আরেকটি  দ্বীপ 'Red Skin Island'ও এই একই  Wandoor জেটি থেকে যেতে হয়। তবে সাধারণতঃ পর্যটকরা এর যেকোন একটি দ্বীপ বেড়াতে যান। কারণ, এই বিপুল পরিমাণ কোরালের ভান্ডারকে রক্ষা করতে একই সময়ে যে কোন একটি দ্বীপেই যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া যায় আন্দামান প্রশাসন থেকে। একটি দ্বীপ খোল...

সবুজদ্বীপের ডায়েরি (আন্দামান পর্ব-৩) | Sobujdweeper Diary Ep#3

Image
"সবুজদ্বীপের ডায়েরি"  (আন্দামান পর্ব-৩) সবুজদ্বীপের ডায়েরি । 26th February 2020  ।   ভোর ৫টা ........ রাধানগর বিচ সত্যিই মোহন-সুন্দর। সবুজ বনরাজির হাত ধরে ঝুরঝুরে সাদা বালির পাড় বাঁদিক থেকে ডানদিকে অষ্টাদশী চাঁদের মতো মিষ্টি বাঁক  নিয়ে বিচকে আরো মোহিনী রূপ দিয়েছে। তার গায়ে রঙিন জলের স্পর্শ - কোথাও স্বচ্ছ নীল, কোথাও হালকা সবুজ। সাগরজলের ঢেউতেও মন-ভেজানো মুক্তোদানা - বেসামাল হবার ভয় নেই - শরীর জুড়িয়ে দেওয়া আলতো পরশ।  আজ রোদের তেজটাও খুব বেশি নয়।  সাধারণত আন্দামান বেড়াবার শ্রেষ্ঠ সময় হলো অক্টোবর থেকে মে মাস। তবু আমার মনে হয় প্রথম ও শেষ শীত হলো আন্দামান ঘোরার সবচেয়ে উত্তম সময়। বাস একটা পার্কিং লট-এ দাঁড়াল।  আমরা এগিয়ে চললাম পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিচের দিকে। প্রবেশ পথেই দিকনির্ণয় করা রয়েছে কোনদিকে চেঞ্জিং রুম, কোথায় টয়লেট। সমুদ্রস্নান সেরে ভেজা জামাকাপড় পরিবর্তন, বালি ঝেড়ে ফেলার স্নান ইত্যাদি সেরে নেবার উৎকৃষ্ট ব্যবস্থা - অবশ্যই যৎসামান্য মূল্যের বিনিময়ে। এখানেই একটি বাঙালি পরিবার - ওপার বাংলার - কে কতবার...

সবুজদ্বীপের ডায়েরি (আন্দামান পর্ব-২) | Sabujdweeper Diary Ep#2

Image
"সবুজদ্বীপের ডায়েরি"  (আন্দামান পর্ব-২) সেলুলার জেল রাতের অন্ধকারে সবুজদ্বীপের ডায়েরি । 25th February 2020  ।   ভোর ৫টা ........ ঘুমটা আপনা থেকেই ভেঙে গেল - ঘড়িতে দেখলাম ভোর পাঁচটা। স্বপ্নে দেখেছি ক্ষুদিরাম বসুকে - কয়েদীর পোশাকে "বন্দে মাতরম" মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যেতে। তিনি আমার বসুপরিবারের স্বগোত্রীয় বলে কিনা জানি না, সারা রাত মনের মধ্যে একটা চাপ অনুভব করেছি। তাই হয়তো আপনা হতেই ঘুমটা ভেঙে গেল। ঠিক পাঁচটা বেজে কুড়ি মিনিটে সূর্য মুখ তুলে চাইলেন। প্রথম আলোর স্নানে অনেকটা হালকা মনে হলো। ট্রাভেল এজেন্টের নিয়মাবলীর প্রথম নির্ঘণ্টতে প্রতিদিনের সূর্যোদয় চাক্ষুষ করাটা আমাদের প্রাথমিক ভ্রমণ সূচি - খারাপ লাগছে না। নিজের আপাতত 'বেলায় ঘুম থেকে ওঠার' বদ-অভ্যাসের সাময়িক অবলুপ্তিতে মানসিকভাবে নিজেকে অনেক সতেজ লাগছে। ডায়েরি লেখা এখনকার মতো বন্ধ করলাম। পৌনে সাতটার মধ্যে বেরিয়ে পড়তে হবে। হ্যাভলক আইল্যান্ডের উদ্দেশে। সারাদিনের দ্বীপ পর্যটন।  👓 25th February 2020  ।   রাত ১১টা ........ ভেবেছিলাম আজ আর ...

সবুজদ্বীপের ডায়েরি (আন্দামান পর্ব-১) | Sabujdweeper Diary Ep#1

Image
একটি ভ্রমণ-কাহিনী  "সবুজদ্বীপের ডায়েরি"  (আন্দামান পর্ব-১) সবুজদ্বীপের ডায়েরি । 24th February 2020  ।   রাত  ১০টা ........ আজ সকাল ৮/৩৫-এর বিমানে এসে পৌঁছলাম পোর্ট ব্লেয়ার। অনেকের মুখেই আন্দামান ভ্রমণের সুখস্মৃতির ছবি দেখেছি। আমার আজ সেখানে বেড়াতে যাওয়া। সঙ্গী আমার স্ত্রী স্বপ্না আর এখন নিকট-আত্মীয়ের মতো হয়ে যাওয়া অরুণদার পরিবার। আমার ছেলে বুবলু বেড়াতে  এতো  ভালবাসে, কিন্তু কাজের চাপ থাকায় আসতে পারল না - আন্দামানে বুবলুর অভিমান জমা পড়ল। গত বছর থেকে আমার মায়ের বেড়ানোটাও সীমিত হয়ে পড়েছে নানারকম শারীরিক প্রতিবন্ধকতায়। এতো ইচ্ছে আমি এবং আমার স্ত্রী যেখানে নিয়ে যাবে সেখানেই যাবো - তবু বয়স বাধ সাধল, আমার ৮৪'র মা।  মনটা মায়ের কারণে কিছুটা কলকাতা, আর ছেলের কারণে বোম্বেতে রেখে চোখ ফেরালাম বিমানের জানলায়। দূরের বিন্দুসম সবুজ দ্বীপগুলো ক্রমশঃ মনটাকে গ্রাস করতে লাগল। বাঙালির ভ্রমণ-পিপাসু মন ভিজতে শুরু করল। প্লেনে বসবার সিটগুলো ঠিক পাশাপাশি পাওয়া গেল না। অরুণদা আর আমি পাশাপাশি - একটু আগের সিটে পরপর তৃপ্তিবৌ...

আগুন (কবিতা)। Aagun (Poetry)

Image
আগুন (কবিতা)। তপন বসু  আজ যে কথা রইল বাকি, পরে বলব বলে। ফাঁকি পড়ে গেল অনেকটা বলা সময় গেল চলে। আজকে ছুটি, বন্দি ঘরে কালকে ছুটি কাজের ঝড়ে আজ আর কালে এতই ফারাক 'মন' জানলা বন্ধ করে। খোলা হাওয়া, মেলা লোকজন ক্যামেরার চোখে এরাই সুজন  একাকিত্বের উজান বেয়ে সংক্রমণে হাসে দুর্জন। এই 'বিশে' বিষক্ষয় হবে কি হবে না একুশে আইনে মুখ মোটেই ঢাকা যাবে না - বাইশে যদি বা শ্রাবণ ভেজায় এ পৃথিবীর মাটি বন্ধ্যা হবে না। মহাজাগতিক 'শূন্য' থেকে প্রথমা 'একে'র শুরু - আদি পৃথিবীর প্রথম অংকে তিনিই নাটের গুরু অঙ্ক মিলিয়ে প্রদক্ষিণে  মহাকালের পিতা - মহাশূন্যের আগুনে পুড়ুক আগুনে অন্ধ চিতা। আগুন । তপন বসু । ১১ই জুলাই ২০২০ (c) tapanbasu. all rights reserved image courtesy > stocksyUnited & unsplash 

আপনভোলা (কবিতা) | Aponbhola

Image
আপনভোলা ।  (কবিতা) ভোলা মন  যখন তখন   খেয়াল নিয়েই থাকে ; খেয়াল খেলায়  ইচ্ছে-ভেলায় ~ সাতকাহনের সংসার ছেড়ে আপন সুখে বাঁচে ...। এই কাহিনীর শুরুর দিকে  ভোলা, মন বেঁধেছিল নদীর বাঁকে -  ইচ্ছে ছিল ভাসবে জলে  নদী যেদিকে এগিয়ে চলে ; মন আনমনে  মাতাল হল   বাউল গানের তালে - সেই যে ভোলা ঘর ছেড়েছিল  ফেরে নি কোন কালে। কবিগান ...... বাউলগান ...... উদ্দাম জীবনের সুখী কলতান - বাঁচবার দায়  ভোলার মাথায়  কোনই বোঝা নয় ; প্রকৃতির কোলে পা বাড়িয়ে দেশান্তরের কূল ছাড়িয়ে ভোলারা, নবীন অক্ষয়।  এই ভোলা মন  সুখে-দুখে   উঁকি মারে  আনবুকে ; হারিয়ে যে যাই  ভোলার ডাকে - সংসারময় কাজের ফাঁকে,  হৃদয়  আমার  যখন তোমার  আপন হাতের দোলে।  রোজের কথা  রূপকথা হয়ে  বৃষ্টিভেজা বন পেরিয়ে  মন-বাউলের সুরে দুলে ওঠে  বসন্ত-হিল্লোলে । । ------- তপন বসু | ১০ই আগস্ট ২০২০ © tapanbasu. All rights reserved ...

একটু ভেবে দেখুন-পর্ব ১১ (ডাক্তার) | Ektu Bhebe Dekhun Ep#11 (Doctor)

Image
একটু ভেবে দেখুন পর্ব ১১ আজকের পর্ব - ডাক্তার  " কত না দেশ-বিদেশ ঘুরে, অনেক যুদ্ধ জয় করে, তবেই না হয়েছো তুমি 'ডাক্তার' - আমাদের বাণিজ্যে মা লক্ষ্মী এলেও,  স্বীকৃতিতে ধন্য হলেও, পাই কি ? কাছের-দূরের নির্বিশেষে - আকুল  কোনও ডাক তার ?  এমনি জীবিকা বেছে নিয়েছ, 'বন্ধু'  দিন-রাতের সেবাধর্মে,  সময়-ঘুমে ফাঁকি - এ জীবিকা জীবন চেনায়, তাই  আর পাঁচটা কর্ম জীবন - চেনা রাস্তায় স্বজন-সুজন,  এরা সকল আর শিক্ষামহল -  রইল তারা বাকি ; এঁদের জন্যে শ্রদ্ধা রেখে   তোমার প্রতি অসীম গুরুত্বে - তোমাকেই মাথায় তুলে রাখি"।  প্রিয় ডাক্তার, তুমি ও তোমার সঙ্গে দিবারাত্র লড়াইয়ে সঙ্গী সমস্ত সহযোগীদের প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এই লেখার গোড়াতেই। আজ এই পৃথিবী ছেয়ে গেছে রোগ আর রোগীতে। প্রতিনিয়ত তোমরা তোমাদের প্রজ্ঞা-শক্তি আর নতুন ওষুধে মারণ-রোগকে জয় করছ, আবার প্রায়শঃই হার মানছো প্রাণঘাতী কোন জীবাণুর আকস্মিক আত্মপ্রকাশে। তবু, তবু ...... তোমাদের যুদ্ধে কোন বিশ্রাম নেই। তোমাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি না আম...