ছায়ামানুষ | Chhayamanush
কবিপক্ষে ..................
(আজ ২৫শে বৈশাখ, বিশ্বব্যাপী ভারতীয় সংস্কৃতির জন্মদিন। আসলে জন্ম আমাদের প্রতিদিন, সূর্য ওঠবার সাথে সাথে। সুপ্তি-শয়নের আলিঙ্গন ছেড়ে নতুন সকাল দেখার মধ্যে দিয়ে আমাদের নিত্যদিনের জন্মদিন পালন। প্রকৃতির আকাশে যেমন সূর্য, ভারতীয় সংস্কৃতির আকাশে তেমনই রবি। সূর্য আমাদের আলোর পথ-প্রদর্শক। রবি - দিশারী সাহিত্য ও সংগীত চেতনায় - আমাদের নিত্যসঙ্গী, ভাবনায়-ভালবাসায়। ভারতের লোকসংস্কৃতি, ধ্রুপদী সঙ্গীত এবং পাশ্চাত্যের শিল্পদর্শনকে পাথেয় করে যে অপার্থিব সৃষ্টির ভান্ডার তিনি উন্মোচিত করেছিলেন - কি সাহিত্যে, কি সংগীতে - তা তাঁকে শুধু বাঙালি তথা ভারতবাসীর হৃদয়ে স্থায়ী সিংহাসনে আসীন করেনি, সেই শিল্পকর্ম রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবির মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল প্রথম নন-য়ুরোপীয়ান হিসেবে নোবেল প্রাপ্তি। যে সম্মান শুধু ঠাকুরবাড়ির ঐতিহ্যকে নয়, সারা ভারতবাসীকে সংস্কৃতির মঞ্চে সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করেছিল।
তাঁর জন্মদিন পালন আমাদের নিজেদের চিরাচরিত ঐহিত্য ও শিল্পের আত্ম-পূজা। সেই পূজার আচারে এক আরাধ্যের বিনম্র সাহিত্য-অঞ্জলি - আজ এই মহালগ্নের পুণ্যপ্রভাতে।)
(আজ ২৫শে বৈশাখ, বিশ্বব্যাপী ভারতীয় সংস্কৃতির জন্মদিন। আসলে জন্ম আমাদের প্রতিদিন, সূর্য ওঠবার সাথে সাথে। সুপ্তি-শয়নের আলিঙ্গন ছেড়ে নতুন সকাল দেখার মধ্যে দিয়ে আমাদের নিত্যদিনের জন্মদিন পালন। প্রকৃতির আকাশে যেমন সূর্য, ভারতীয় সংস্কৃতির আকাশে তেমনই রবি। সূর্য আমাদের আলোর পথ-প্রদর্শক। রবি - দিশারী সাহিত্য ও সংগীত চেতনায় - আমাদের নিত্যসঙ্গী, ভাবনায়-ভালবাসায়। ভারতের লোকসংস্কৃতি, ধ্রুপদী সঙ্গীত এবং পাশ্চাত্যের শিল্পদর্শনকে পাথেয় করে যে অপার্থিব সৃষ্টির ভান্ডার তিনি উন্মোচিত করেছিলেন - কি সাহিত্যে, কি সংগীতে - তা তাঁকে শুধু বাঙালি তথা ভারতবাসীর হৃদয়ে স্থায়ী সিংহাসনে আসীন করেনি, সেই শিল্পকর্ম রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবির মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল প্রথম নন-য়ুরোপীয়ান হিসেবে নোবেল প্রাপ্তি। যে সম্মান শুধু ঠাকুরবাড়ির ঐতিহ্যকে নয়, সারা ভারতবাসীকে সংস্কৃতির মঞ্চে সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করেছিল।
তাঁর জন্মদিন পালন আমাদের নিজেদের চিরাচরিত ঐহিত্য ও শিল্পের আত্ম-পূজা। সেই পূজার আচারে এক আরাধ্যের বিনম্র সাহিত্য-অঞ্জলি - আজ এই মহালগ্নের পুণ্যপ্রভাতে।)
ছায়ামানুষ । কবিতা
তুমি কোন পথে যে এলে পথিক
প্রশ্ন জেগে আজও -
সুপ্তি-শয়ন নিমেষে-দূর
অন্তর বলে, 'সাজো' !
রাঙিয়ে দিলে ভাবনাগুলো
খুলে গেল দ্বার
আয়নার সামনে নিজের ছবিকে
ভয় পাই না আর।।
সূর্যটা ডুবুডুবু -
দিনের আলো কমে গেলেও
ম্লান হয়নি তবু।
এ ঘর থেকে বারান্দা
ছোট্ট চলনপথে -
একটা ছায়া আকার নিল
আমার মনোরথে।
ছায়াশরীর দীর্ঘদেহী
বসতে এলেন ঘরে -
কথার মালায়, আলাপ-খেলায়
মিলল আপন-'পরে।
অন্তরভিটে স্নাত হল
কথাশিল্পীর সুরে -
নবপরিচয়ের প্রথম পর্ব
রইল না আর দূরে।
দেখতে দেখতে বছর গেল
গতির জয়রথে -
এই 'আমি'টা ধরা পড়ল
লোকসমাজের হাতে।
আপনহাতে নতুন লেখা
অনুভবের ছবি,
'অর্থ'পূর্ণ মর্যাদা পায়
সাক্ষী থাকেন রবি।
সেই একটা পড়ন্ত বিকেল
ছায়াশরীরকে দেখা,
তার সাথেই যে আবাল্য প্রেম
পথ চলতে শেখা।
যেদিনই আমি দুর্বল হয়েছি
আমারি গড়া ভুলে -
তোমার ছায়া সঙ্গী হয়েছে
রঙ ধরেছে ফুলে।
ছায়াশরীরের মায়াজালে,
তিনটে 'কুড়ি' পার -
যত আসো কাছে, অনুভব বাঁচে,
ছায়াতে, হারাই বারেবার ।.।।.
তপন বসু । ২৫ বৈশাখ ১৪২৭ (8 May 2020)
©tapnbsu. all rights reserved
image courtesy > visva-bharati
image courtesy > visva-bharati

Comments
Post a Comment